সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিহার কারাগারে বন্দি রাজপাল যাদব

দর্শকের মন মাতানো বলিউডের সেই জনপ্রিয় কমিডিয়ান চরিত্রের অভিনেতা রাজপাল যাদব এখন কারাগারে। ৯ কোটি রুপির ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে জেলহাজতেই যেতে হলো।

ভারতের দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে বর্তমানে দিল্লির তিহার কারাগারে বন্দি রয়েছেন তুমুল আলোচিত এই অভিনেতা।

দেশটির গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালে নিজের পরিচালিত সিনেমা ‘আতা পাতা লাপাতা’ নির্মাণের জন্য ৫ কোটি রুপি ঋণ নিয়েছিলেন রাজপাল। তবে দীর্ঘ সময়েও সেই অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় সুদে-আসলে বর্তমানে তার ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি রুপিতে।

এই বিশাল অংকের অর্থ পরিশোধের জন্য গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাজপালকে আত্মসমর্পণের চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছিলেন দিল্লি হাইকোর্ট। তবে রাজপাল আত্মসমর্পণ না করে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পথ বেছে নেন এবং দেনা পরিশোধের জন্য আদালতের কাছে আরও কিছুটা সময় প্রার্থনা করেন।

কিন্তু রাজপালের সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি স্বর্ণা কান্তা শর্মার বেঞ্চ। আদালত সাফ জানিয়ে দেন, সময় বাড়ানোর পক্ষে কোনো যুৎসই আইনি যুক্তি নেই। আদালতের এই কঠোর অবস্থানের পরই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়।

Tag :
জনপ্রিয়

তিহার কারাগারে বন্দি রাজপাল যাদব

আপডেট ১১:৫১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দর্শকের মন মাতানো বলিউডের সেই জনপ্রিয় কমিডিয়ান চরিত্রের অভিনেতা রাজপাল যাদব এখন কারাগারে। ৯ কোটি রুপির ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে জেলহাজতেই যেতে হলো।

ভারতের দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে বর্তমানে দিল্লির তিহার কারাগারে বন্দি রয়েছেন তুমুল আলোচিত এই অভিনেতা।

দেশটির গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালে নিজের পরিচালিত সিনেমা ‘আতা পাতা লাপাতা’ নির্মাণের জন্য ৫ কোটি রুপি ঋণ নিয়েছিলেন রাজপাল। তবে দীর্ঘ সময়েও সেই অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় সুদে-আসলে বর্তমানে তার ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি রুপিতে।

এই বিশাল অংকের অর্থ পরিশোধের জন্য গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাজপালকে আত্মসমর্পণের চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছিলেন দিল্লি হাইকোর্ট। তবে রাজপাল আত্মসমর্পণ না করে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পথ বেছে নেন এবং দেনা পরিশোধের জন্য আদালতের কাছে আরও কিছুটা সময় প্রার্থনা করেন।

কিন্তু রাজপালের সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি স্বর্ণা কান্তা শর্মার বেঞ্চ। আদালত সাফ জানিয়ে দেন, সময় বাড়ানোর পক্ষে কোনো যুৎসই আইনি যুক্তি নেই। আদালতের এই কঠোর অবস্থানের পরই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়।